ঢাকা আজ শনিবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. ইসলাম
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. বাংলাদেশ
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. বিশ্ব
  10. মতামত
  11. রাজনীতি
  12. সর্বশেষ
শিরোনাম:

ইভটিজিংয়ের অপরাধে বখাটের ২ মাসের কারাদণ্ড

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ।

লাকসামে ১ম স্ত্রীর ১৫ লাখ টাকা নিয়ে প্রবাসে আছে স্বামী: স্বামী সংসার থাকা হিন্দু থেকে মুসলিম হওয়া নারীকে বিয়ে:: মোতালেব! পর্ব-১

বরুড়া ঝালম ইউপি হিসাব সহকারী রেজাউলের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতির পাহাড়সম অভিযোগ! পর্ব-১

জনগণের সেবায় নিবেদিত প্রাণ, আমাদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব জনাব স্বপন কুমার মজুমদার 🌹

সৌদি আরবে নারীসহ ধরা খাওয়া সোহেল এখন টক অব দ্যা কান্ট্রি।

প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন

শিক্ষিকার সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় মাদ্রাসা সুপার; দেখে পেলায় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত..

প্রতিবেদক
bbcbarta
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৪ ৫:৪৭ অপরাহ্ণ

শিক্ষিকার সঙ্গে অনৈতিক কাজে জড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে এক মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে। তবে বিষয়টি দেখে ফেলায় এক শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা দারুল ফালাহ্ হামীদীয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সুপারের নাম মাওলানা শাহ মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন হামীদী। সে উপজেলার ছারিজানিয়া গ্রামের মৃত মোস্তফা হামিদীর ছেলে।

ভুক্তভোগী ফয়সাল মাহমুদ (১৪) উপজেলার রায়কোট পশ্চিম পাড়ার মুন্সি বাড়ির প্রবাসী জসিম উদ্দিনের ছেলে। তিনি মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

জানা যায়, ১২ সেপ্টেম্বর রাতে মাদ্রাসার আবাসিক ভবনের ছাদে যান ফয়সালসহ তিন শিক্ষার্থী। ওই সময় ফয়সাল জানালা দিয়ে দেখতে পান পাশের একটি ভবনে শিক্ষক নিজাম উদ্দিন হামীদী তার অফিস কক্ষে এক নারী শিক্ষিকার সঙ্গে অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়েছেন। পরের দিন বিষয়টি মাদ্রাসায় জানাজানি হলে ফয়সালকে ঘটনাটি গোপন রাখতে বলেন সুপার নিজাম উদ্দিন। কিন্ত ফয়সাল বিষয়টি গোপন না রেখে সবাইকে জানিয়ে দেয়। এতে ফয়সালের উপর ক্ষিপ্ত হন সুপার। পরে মঙ্গলবার ফয়সাল অসুস্থতার কারণে ক্লাস না করে শুয়ে থাকেন আবাসিক ভবনে। নিজাম পূর্বের ঘটনার জেরে ক্লাস না করার অজুহাতে ফয়সালকে বেধড়ক মারধর করেন। খবর পেয়ে ফয়সালের মা তাকে মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে দেন। ৪ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পরেও ফয়সালের শরীরে মারধরের চিহ্ন স্পষ্ট।

এ বিষয়ে ফয়সালের মা হালিমা বেগম বলেন, ‘সুপার নিজামের অপকর্মের বিষয়টি আমার ছেলে আমাকে জানিয়েছে। আমি তাকে সতর্ক করি যাতে বিষয়টি গোপন রাখে। তবে বয়স কম হওয়ায় সে সবাইকে জানিয়ে দেয়। কিন্তু নিজাম হুজুর আমার সন্তানকে বেধড়ক মারধর করে আহত করে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই’।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, মাদ্রাসার শিক্ষিকা-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অপকর্ম করা নিজামের পেশায় পরিণত হয়েছে। নিজাম স্থানীয় হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। নিজামের লাগামহীন অনৈতিক কাজে দিশেহারা অভিভাবকরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহ মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন হামীদী বলেন, অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফয়সাল ছুটি না নিয়ে ক্লাসে অনুপস্থিত ছিল। তাকে ক্লাসে না আসার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সে উচ্চস্বরে কথা বলায় তাকে বেত্রাঘাত করেছি। বেত্রাঘাতে তার শরীরে আঘাত লাগে। পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছি। অনৈতিক কর্মকান্ডের বিষয়টি সত্য নয়।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি সাংবাদিকদের মাধ্যমে শুনেছি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ - ইসলাম

আপনার জন্য নির্বাচিত