চলতি মাসের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাথে অংশগ্রহণ করতে পারেনাই লাকসাম উপজেলার ছাত্ররা।
রাস্তায় লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র পাহারায় থেকে ছাত্র ও অন্যান্য দলের কোনো নেতা কর্মীকে রাস্তায় নামতে না দেওয়াতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে পারেনাই উপমহাদেশের মহিয়সী নারী নবাব ফয়েজুন্নেছার লাকসাম।
সারাদেশের সব জায়গা থেকে ছাত্র জনতা আন্দোলনে শরিক হতে পারলেও পিছিয়ে আছেন এই উপজেলা। এক তরফা স্বৈরশাসকের নেতৃত্ব দেওয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী ও তার সহকারিদের তোপের মুখে সবাই মুখ বন্ধ করে থাকতে বাধ্য হয়েছিলো সেদিন।
ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস যাদের ধাপটে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি আজ তাদের ভাষায় বলতে হয়, সন্ত্রাসীরাই পালিয়ে থাকে এখন সাধারণ জনগণের কথা হলো আপনারা কেনো পালিয়ে গেলেন আপনারাও কি সন্ত্রাসী?
শুধু তাই নয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ কাভার করতে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদেরও হুমকি ধমক দিয়ে সংবাদ কাভার করতে বাধা গ্রহণ করতো এই স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার কর্মী তাজুল ইসলামের শ্যালক মহব্বত আলী ও তার সহকারীরা।
লাকসামের ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা কিছু ছাত্রছাত্রী জানান, আমরা ইচ্ছা করলেও বাসা থেকে বের হতে পারিনাই আমাদের জীবন ও পরিবারের জীবনের কথা চিন্তা করে। এখন আমরা মুক্ত, এখন আমাদের বাধা দেওয়ার মত কেউ নাই।
একদফা দাবীতে শেখ হাসিনার পতনের পর এখন মুক্ত আকাশে স্বস্তির নিঃশ্বাস পেলছেন লাকসামের জনগণ।


















