ঢাকা আজ সোমবার , ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  1. অপরাধ
  2. ইসলাম
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. বাংলাদেশ
  7. বাণিজ্য
  8. বিনোদন
  9. বিশ্ব
  10. মতামত
  11. রাজনীতি
  12. সর্বশেষ
শিরোনাম:

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও অপপ্রচারমূলক সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ।

লাকসামে ১ম স্ত্রীর ১৫ লাখ টাকা নিয়ে প্রবাসে আছে স্বামী: স্বামী সংসার থাকা হিন্দু থেকে মুসলিম হওয়া নারীকে বিয়ে:: মোতালেব! পর্ব-১

বরুড়া ঝালম ইউপি হিসাব সহকারী রেজাউলের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন জালিয়াতির পাহাড়সম অভিযোগ! পর্ব-১

জনগণের সেবায় নিবেদিত প্রাণ, আমাদের প্রিয় ব্যক্তিত্ব জনাব স্বপন কুমার মজুমদার 🌹

সৌদি আরবে নারীসহ ধরা খাওয়া সোহেল এখন টক অব দ্যা কান্ট্রি।

প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন

বরুড়ায় রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংস্থার ফলজ বৃক্ষ বিতরণ

সাহিত্যের বাজারে ভাইরাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের দখলদারি! মেধার সংকট, প্রকাশনীর বানিজ্য নাকি রুচির দুর্ভিক্ষ?

প্রতিবেদক
bbcbarta
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫ ১২:২২ অপরাহ্ণ

সময় বদলেছে, সেই সঙ্গে বদলেছে বই কেনার ধরণ এবং পাঠকের রুচি। আগে পাঠক লেখকের মেধা, সৃজনশীলতা এবং গভীরতা দেখে বই কিনতেন। কিন্তু বর্তমানে বই বাজারের চালচিত্রে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন এক বাস্তবতা। সোশ্যাল মিডিয়া-প্রভাবিত “ভিউ-অর্থনীতি” এখন বই বিক্রির ক্ষেত্রেও আধিপত্য বিস্তার করছে। যার সোশ্যাল মিডিয়ায় যত বেশি ফলোয়ার, তার বইয়ের বিক্রি তত বেশি। আর এই ফলোয়ার গেইমে অনেক সময় প্রকৃত লেখকরা পিছিয়ে পড়ছেন।

ভিউ বনাম মূল্যবোধের লড়াই
বর্তমান সময়ে আমরা এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে কন্টেন্ট মানের চেয়ে ভাইরাল হওয়াটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সস্তা, চটকদার এবং দ্রুত গ্রহণযোগ্য কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা সহজেই বিশাল সংখ্যক ফলোয়ার তৈরি করছেন। যখন এসব ক্রিয়েটর বই প্রকাশ করেন, তখন তাদের ফলোয়াররা সেই বই কেনেন ভালো-মন্দ বিচার না করেই। এতে প্রকৃত লেখকরা বাজারে জায়গা ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন।

মেধার অবমূল্যায়ন ও শিল্পের সংকট-
এই প্রবণতা কেবল বই বিক্রির ক্ষেত্রেই নয়, বরং পুরো সাহিত্যশিল্পের মানের উপর প্রভাব ফেলছে। ভালো লেখকদের সৃষ্টিশীল বইগুলো অনেক সময় আলোচনার বাইরে থেকে যাচ্ছে। কারণ বাজারে “ট্রেন্ডি” বিষয়বস্তুর জয়জয়কার। মেধা, গবেষণা এবং গভীরতা নিয়ে যারা কাজ করছেন, তারা পাঠকের কাছে অবমূল্যায়িত হচ্ছেন।

পাঠকের দায়বদ্ধতা কোথায়?
এই সংকটের পেছনে শুধু সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব নয়, বরং পাঠকদের রুচিরও একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। পাঠক যদি কেবল চটুল বিনোদনমূলক বিষয়েই আগ্রহী হন, তবে ভালো লেখকের বই বিক্রি কমে যাওয়াটা স্বাভাবিক। পাঠকের দায়িত্ব হলো মানসম্মত বই নির্বাচন করা এবং সৃজনশীল লেখকদের উৎসাহিত করা।

উপায় কী?
এই অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব যদি পাঠক, প্রকাশক এবং সমাজ সচেতন হয়।

পাঠকের রুচির উন্নয়ন:
স্কুল-কলেজের পাঠ্যসূচিতে মানসম্মত সাহিত্য অন্তর্ভুক্ত করা এবং বইমেলায় ভালো মানের বই প্রচার করতে হবে।

প্রকাশকদের দায়িত্ব:
শুধু ফলোয়ার নির্ভর নয়, বরং লেখার মান বিবেচনায় লেখকদের উৎসাহিত করতে হবে।

লেখকদের ডিজিটাল দক্ষতা:
ভালো লেখকদেরও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা করতে হবে।

সাহিত্য একটি গভীর শিল্প, যা সাময়িক ভাইরাল ট্রেন্ডের কাছে পরাজিত হওয়ার জন্য নয়। চটুল কন্টেন্টের প্রভাব হয়তো সাময়িক, কিন্তু ভালো লেখকের লেখা সবসময় টিকে থাকে। তাই লেখকদের দায়িত্ব হলো মান বজায় রাখা আর পাঠকদের উচিত সেই মেধা,সৃজনশীলতা ও সৃষ্টিশীলতাকে সম্মান জানানো।

-মোঃ তৌহিদুল ইসলাম রবিন।
ভাইরাল কন্টেন্ট ক্রিয়েটর বনাম সাহিত্য : বই বিক্রির নতুন বাস্তবতা
১০-০২-২০২৫

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত