কুমিল্লার লালমাই উপজেলার চাউলভান্ডারে যুবদলের কর্মী সভায় হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের অন্তত ২০জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার ৫ অক্টোবর সন্ধ্যার পরে উপজেলার বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়নের চাউলভান্ডার(বটতলা) হেমায়েতে ইসলাম মাদরাসায় ইউনিয়ন যুবদলের কর্মীসভায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতদের বাগমারা বাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কুমিল্লা সদরের বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
হামলায় আহতরা হলেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম লোকমান, বাগমারা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মাওলানা জাকির হোসেন, লালমাই উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জাবের হোসেন জাবেদ, যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন মজুমদার, সোহেল, যুবদল কর্মী আলমগীর হোসেন, আনোয়ার হোসেন, চারু মিয়া, হাসান, শামীম, মিজান, সোহরাব ও সুজন।

আহতদের সবাই কুমিল্লা-১০ আসনের বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মোবাশ্বের আলম ভুঁইয়ার অনুসারী বলে জানা গেছে। তবে হামলাকারীরা কোন গ্রুপের তাৎক্ষনিক কেউ বলতে পারেননি।
লালমাই উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ইকবাল হোসেন মজুমদার বলেন, দলের অন্য একটি গ্রুপের কর্মীরা আমাদের কর্মীসভায় হামলা করেছে। হামলাকারীরা সভাস্থলের চেয়ার, স্টেজ ও একটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে।
আহত বিএনপি নেতা মাওলানা জাকির হোসেন শনিবার রাতে সাংবাদিকদের বলেন, বেলঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মীসভায় আমিসহ বিএনপির কয়েকজন নেতা অতিথি হিসেবে যাই। বিকেল থেকে সভা শুরু হয়। মাগরিবের নামাজের বিরতির পর সভা পুনরায় শুরু করতেই বহিরাগত কিছু লোক আমাদের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করেছে। হামলায় আমিসহ ১৪জন নেতাকর্মী আহত হয়েছি।
হামলাকারীদের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের লোকজন যেহেতু এখন এলাকায় নেই। সেহেতু তারা হামলা করার সুযোগও নেই। দলের অন্য একটি গ্রুপের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমাদের সকলের নেতা তারেক রহমান। মার্কা ধানের শীষ। দলের মনোনয়ন যিনি পাবেন আমরা সবাই তার হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ কে বিজয়ী করতে কাজ করবো। সুতরাং দলে বিভাজন চাই না। তবে হামলাকারীদের শাস্তি চাই।
লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শাহ আলম বলেন, হামলার বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


















