জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সন্মানিত সভাপতি, প্রখ্যাত সাংবাদিক মুহম্মদ আলতাফ হোসেন (৭৮) রাজধানীর মুগদা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুক্ষণ আগে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সাংবাদিক মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কুমিল্লা সাংগঠনিক বিভাগীয় কমিটির সভাপতি হারিসুর রহমান, সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরুণ,সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল ইসলাম সজিব ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এটিএম মাযহারুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক এন সি জুয়েল ও আনজার শাহ সহ সকল জেলার কমিটি ও এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকারের চেয়ারম্যান মোঃ দুলাল মিয়া,কুমিল্লা সাংগঠনিক বিভাগীয় সভাপতি মোহাম্মদ হারিসুর রহমান,সাধারণ সম্পাদক মো:আনজার শাহ,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক সহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাসার মজুমদার ও মহাসচিব মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন,প্রবীণ বর্ষীয়ান সাংবাদিক নেতা মুহাম্মদ আলতাফ হোসেন হাজারো সাংবাদিকদের নেতা তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা,উপজেলায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কমিটি রয়েছে।তিনি ১৯৭০ সালে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে বিগত ৫৪ বছরে দৈনিক আজাদ, দৈনিক গণকণ্ঠ, দৈনিক জনতা, দৈনিক সমাজ, দৈনিক ইনকিলাব সহ বিভিন্ন পত্রিকায় বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ বেতারের বাংলা সংবাদ বিভাগে কাজ করেন। তাছাড়া বেতারে বিভিন্ন কথিকা ও সংবাদ পর্যালোচনা লিখেছেন দীর্ঘদিন। তিনি অবিভক্ত ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নির্বাহী সদস্য ছিলেন। তিনি নজরুল একাডেমীসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তার উদ্যোগেই ১৯৮২ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি দেশের সর্বস্তরের সাংবাদিকদের একক সংগঠন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বিভিন্ন সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিনে তার বহু প্রবন্ধ, গল্প, কবিতা ও নিবন্ধন প্রকাশিত হয়েছে। তিনি দেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক হিসেবে পরিচিত। ১৯৭৩ সাল থেকে তিনি আন্তর্জাতিক বিষয়ে নিয়মিত পর্যালোচনামূলক লেখা লিখে আসছেন এবং একজন সাংবাদিকদের সফল অভিভাবক ছিলেন তিনি।
তিনি অত্যান্ত ভালো ও গুনী মানুষ ছিলেন।হে আল্লাহ, আলতাফ স্যারকে ক্ষমা করুন এবং তাকে দয়া করুন। শান্তিতে রাখুন এবং তার থাকার স্থানটিকে মর্যাদাশীল করুন। তার কবর প্রশস্থ করে দিন। বরফ ও তুষারের শুভ্রতা দিয়ে, তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিচ্ছন্ন করে দিন যেমন ময়লা থেকে সাদা কাপড় পরিষ্কার হয়।
তাকে দুনিয়ার বাসস্থানের চেয়ে উত্তম বাসস্থান, পরিবার ও সঙ্গী দান করুন, হে মাবুদ, তাকে জান্নাতে দাখিল করুন, তাকে কবর আর দোজখের আজাব থেকে রক্ষা করুন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। আমিন।
আগামীকাল (১৫ অক্টোবর) বাদ জোহর সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও তাঁর নিজ বাসভবনের (মুগদা মায়াকানন, ঝিলপাড়) সামনে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের নামাজে জানাজায় উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ করছি।


















