বাংলাদেশ ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা একেবারেই নিকটে হওয়ায় ভারত থেকে অবৈধ পথে প্রতিদিনই আসছে চিনি। আর এই চিনি গুলো লাকসাম পৌঁছানোর আগে ৭/৮ টি স্টেশন পার হয়ে লাকসাম রেলওয়ে স্টেশনে আসে। আর যে ট্রেনে করে এই চিনি গুলো আসে, সেই ট্রেনে কর্মরত পুলিশ সদস্য ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরাও ডিউটিরত থাকে এবং সেই সাথে রেলওয়ে কর্মকর্তাগণও ডিউটিরত অবস্থায়্য থাকলেও সবাইকে টাকার বিনিময়ে মেনেজ করে পারাপার করছে অবৈধ পথে আসা এই চিনি। আর এই চিনি গুলো ৭ থেকে ৮টি স্টেশন পার করতে প্রায় ২ ঘন্টার বেশি সময় লাগলেও নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও রেলওয়ে কর্মকর্তারা এসব চিনি গুলো আইনের আওতায় না এনে পাছারকারীদের সহযোগিতা করে লাকসাম পর্যন্ত এসে আবার এই চিনি গুলো লাকসাম রেলওয়ে স্টেশনে নেমে ট্রেন পরিবর্তন করে চাঁদপুর ও নোয়াখালীতেও অন্য আরেকটি ট্রেনে করে পাছার করা হয় এই চিনি।
লাকসাম রেলওয়ে প্লাটফর্মে ডিউটিরত থাকা পুলিশ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের চোখের সামনে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে চাকরিতে প্রবেশের সময় করা শপথ ও ভুলে যায়।
এসব পাছারকারীদের একটা সিন্ডিকেট আবার এসব থানা, ফাঁড়ি ও রেলওয়ে কর্মকর্তাদের মেনেজ করার জন্য একদম কাজ করে থাকে।
লাকসাম জিআরপি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইমরান হোসেন জানান, আমি এই থানায় নতুন জয়েন করেছি ১ মাস এখনো হয়নাই, ইতিমধ্যেই আমি একটি অভিযান পরিচালনা করে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষাধিক টাকার মালামাল আটক করে মামলা করেছি এবং কুমিল্লা জেলা ডিবি অফিসারগণ এই অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। এর আগেও অভিযান পরিচালনা করে চট্রগ্রামেও মামলা হয়েছে। অবৈধ পথে আসা যেকোনো পণ্য আমরা আসতে দেখলেই তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।
লাকসাম জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন এই কথা বল্লেও প্রতিদিনই এইভাবে অবৈধ পথে আসা চিনিসহ বিভিন্ন মালামাল আসছে।



















