স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা-র শাকপুর ইউনিয়নের বেকি গ্রামে প্রবাসী ইমাম আলী সাহাযির বাড়িতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য সোলায়মানের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে প্রথমে হামলা চালিয়ে পরে উল্টো প্রবাসী ইমাম আলী সাহাজি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি। নির্বাচনের দুই দিন পর গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটে। তখন সময়টি এমনই সময় ছিলো, যখন ঘটনা্টি ঘটে তখন প্রশাসন নতুন সরকার ও দেশের পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যস্ত থাকে তাই ৯৯৯ এ ও কল দিয়েও কোনো প্রতিকার বা সন্তুশজনক বিচার না হওয়ার সুযোগে সাবেক ইউপি সদস্য সোলায়মান পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটান বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, সোলায়মানেরই রক্ত (নাতী) পুলিশের একজন উর্ধতন পদে কর্মরত থাকায়, সেই রক্তের ফোন কল এবং সুপারিশকে কেন্দ্র করেই এমন প্রভাব ব্যবহার করে এবং ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
পরে পরিকল্পিতভাবে একটি নাটক সাজিয়ে উল্টো প্রবাসী ইমাম আলী সাহাযি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করা হয় বলে জানা গেছে।
প্রবাসী ইমাম আলী সাহাযির পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
সাবেক ইউপি সদস্য সোলায়মান মেম্বার পলাতক আওয়ামী সরকারের সময়কার মেম্বার থাকা অবস্থায় তার সুবিধার্থে জোরপূর্বক জায়গা দখল করে রাস্তা বানালেও, প্রবাসী সাহাযি মরুরদেশ সৌদিআরব থেকে দেশে এসে তার জায়গার উপর থাকা দখলদারি নিজ হাতে উপড়ে ফেলে দিলেই শুরু হয় নানান ধরনের অন্যায় ও বেবিচার।
এদিকে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। সকলের এমনই কথা, মেম্বারের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস বর্তমান নতুন বাংলাদেশেও সম্ভব নয়।


















