কুমিল্লা শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আড়ালে কিছু অসাধু সদস্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠে আসছে। বিভিন্ন সময় সাধারণ চালকরা অভিযোগ করে আসলেও বেশিরভাগ ঘটনাই থেকে যায় অন্ধকারে, বিচারহীনতার চক্রে।
সর্বশেষ এমনই এক ঘটনায় সামনে এলেন ভুক্তভোগী মোঃ আক্তার হোসেন। তিনি জানান, তিনি তার পিকআপ গাড়ি নিয়ে কুমিল্লা শহরে প্রবেশ করার সময় ট্রাফিক পুলিশের সিগনালে দাঁড়ান। নিয়ম মেনেই গাড়ি থামানো, কাগজপত্র দেখানো, সবকিছু ঠিকঠাক করার পরও শুরু হয় ভিন্ন নাটক।
আক্তার হোসেন জানান, আমার সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও আমাকে মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। পরে বাধ্য হয়ে ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে।
এই অভিযোগ শুধু একদিনের নয়, স্থানীয় অনেক চালকই দাবি করছেন, শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে একই কৌশলে টাকা আদায়ের ঘটনা প্রায় নিয়মিত। কখনো কাগজপত্রে অযৌক্তিক সমস্যা দেখানো, কখনো মামলা দেওয়ার ভয় দেখানো আবার কখনো অপ্রয়োজনীয় জটিলতা তৈরি করে চালকদের মানসিক চাপে ফেলা
এসব পদ্ধতিতে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে টাকা। এমন অভিযোগ এখন মুখে মুখে।
ভুক্তভোগী আক্তার হোসেন জানান, এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে চুপ না থেকে তিনি লালমাইয়ের সাংবাদিক ফরহাদ হোসেন এর সহযোগিতায় ট্রাফিক পুলিশ প্রধান বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
যেখানে আইন রক্ষার দায়িত্ব যাদের হাতে, তারাই যদি আইনের ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করে, তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? এই ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে, দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে, ট্রাফিক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়- চাই সুষ্ঠু তদন্ত, চাই জবাবদিহিতা।